DIY (Do It Yourself) ড্রোন বা কোয়াডকপ্টার



Model Video-027

আব্দুল মুসরেফ খাঁনের সহযোগিতায় বিঞ্জান প্রদর্শন মডেল দ্বাদশ শ্রেনী পযর্ন্ত বিঞ্জান শাখায় পাঠরত ছাত্র ছাত্রীদের জন্য।। এই মডেল আপনি হাতে তৈরী করতে পারবেন।। তবে ইলেকট্রিক ব্যবহারে সাবধান অবলম্বন করবেন।। কোনো কিছু তে আবেগ নয় ধর্য সহকারে করুন হইতো আমার ডেমো দেখে আরো উন্নত মডেল তৈরী করতে পারবেন।।

আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।

তোমাদের সাফল্য কামনা করি।

ভবিষ্যতের ভারত গঠনের কারিগর তোমরা !

অবশ্যই আমাকে ফ্লো করতে ভুলবেন না !

ধন্যবাদ 

আব্দুল মুসরেফ খাঁন

মডের বিষয় : DIY (Do It Yourself) ড্রোন বা কোয়াডকপ্টার

বিজ্ঞানের অতি পরিচিত কিছু নিয়মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। নিচে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এবং এটি তৈরির মূল ধাপগুলো সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

১. ড্রোনটি তৈরির মূল উপাদান

  • কাঠামো (Frame): দুটি পাতলা কাঠের বা প্লাস্টিকের কাঠি 'X' আকারে যুক্ত করে এর বডি তৈরি করা হয়েছে। এটি হালকা হওয়া জরুরি যাতে সহজে উড়তে পারে।
  • মোটর (DC Motors): চারটি ছোট ডিসি মোটর কাঠামোর চার কোণায় লাগানো হয়েছে।
  • প্রপেলার (Propellers): মোটরের মাথায় প্লাস্টিকের ফ্যান বা প্রপেলার লাগানো হয়েছে।
  • কন্ট্রোল ইউনিট: একটি সবুজ রঙের বক্সে স্পিড কন্ট্রোলার (Potentiometer) এবং সুইচ আছে যা দিয়ে মোটরের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
  • বিদ্যুৎ সংযোগ: তারের মাধ্যমে মোটরগুলোকে মূল পাওয়ার সোর্সের সাথে যুক্ত করা হয়েছে।

২. উড্ডয়নের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (Scientific Explanation)

এই ড্রোনটি মূলত নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র এবং বায়ুগতিবিদ্যার (Aerodynamics) নীতিতে কাজ করে।

  • নিউটনের ৩য় সূত্র: যখন প্রপেলারগুলো খুব দ্রুত ঘোরে, তখন তারা বাতাসকে নিচের দিকে ঠেলে দেয় (Action)। এর প্রতিক্রিয়ায় বাতাস ড্রোনটিকে ওপরের দিকে ঠেলে দেয় (Reaction)। একে বলা হয় 'লিফট' (Lift)।
  • মোটরের ঘূর্ণন গতি: ড্রোনটিকে স্থিতিশীল রাখতে দুটি মোটর ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) এবং অন্য দুটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (Counter-clockwise) ঘোরে। এতে ড্রোনটি বাতাসে নিজের অক্ষের ওপর ঘুরে যায় না।
  • ভারসাম্য: যখন 'লিফট' বল ড্রোনটির ওজনের চেয়ে বেশি হয়, তখনই এটি মাটি ছেড়ে ওপরে উঠতে শুরু করে।

৩. এটি কীভাবে তৈরি করা হয়?

১. ফ্রেম তৈরি: হালকা কাঠ বা প্লাস্টিক দিয়ে একটি সমান্তরাল 'X' তৈরি করা হয়। ২. মোটর স্থাপন: চারটি মোটরের ওজন যেন সমান দূরত্বে থাকে সেভাবে আঠা দিয়ে ফ্রেমে আটকানো হয়। ৩. ওয়ারিং বা তারের সংযোগ: সবকটি মোটরের তার একটি মূল সুইচের সাথে সমান্তরালভাবে (Parallel connection) যুক্ত করা হয় যাতে একটি কন্ট্রোলার দিয়েই সবগুলোকে চালানো যায়। ৪. কন্ট্রোলার যুক্ত করা: একটি ভোল্টেজ রেগুলেটর বা পটেনশিওমিটার ব্যবহার করা হয় যাতে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ বাড়িয়ে ফ্যানের গতি বাড়ানো বা কমানো যায়। ৫. ব্যাটারি বা পাওয়ার সোর্স: ড্রোনটি ওড়ানোর জন্য লিথিয়াম পলিমার (LiPo) ব্যাটারি সবচেয়ে ভালো, তবে ভিডিওতে এটি সরাসরি তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করছে।

সতর্কতা: এই ধরণের ড্রোনগুলোতে কোনো 'ফ্লাইট কন্ট্রোলার' না থাকায় এগুলো খুব বেশি উঁচুতে ওড়ানো বা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে। এটি মূলত বিজ্ঞানের প্রজেক্ট হিসেবে চমৎকার একটি মডেল।

 

 


Post a Comment

0 Comments